সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সুন্নতি সামগ্রীর অনুকরণে কিছু সুন্নতি সামগ্রীর ছবি (সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ)

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহযাব)

আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলেদিন, যদি তারা আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত লাভ করতে চায় তাহলে তারা যেনো আপনার অনুসরণ করে, তাহলে আমি আল্লাহ পাক স্বয়ং তাদেরকে মুহব্বত করবো, তাদেরকে ক্ষমা করবো, তাদের প্রতি দয়ালু হবো; নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সুরা আল ইমরান/১৩১)

সুন্নতের ফযীলত সম্পর্কে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে মুহব্বত করলো, সে মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে আমাকে মুহব্বত করবে, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” (তিরমিযী শরীফ)

অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, আখিরী যামানায় যে ব্যক্তি একটি সুন্নত আঁকড়ে ধরে থাকবে তথা আমল করবে তাকে এর বিনিময়ে একশত শহীদ এর ছওয়াব প্রদান করা হবে।

সুন্নতি পাগড়ি মুবারক:

b1cd9d12d66537a02ca15f22b7e94a47_xlarge

পাগড়ীর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পাগড়ী পরিধান করা দায়েমী সুন্নত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মোবারক পরিধান করতেন। তিনি ঘরেও পাগড়ী মোবারক পরিধান করতেন। মক্কা শরীফ বিজয়ের সময়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাথা মোবারক-এ কাল পাগড়ী মোবারক ছিল। উনার পাগড়ী মুবারক-এর নিচে এবং পাগড়ী মুবারক ব্যতীত শুধু টুপিও ব্যবহার করেছেন। Continue reading

Posted in সুন্নতে হাবীবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম | মন্তব্য দিন

মাদানী তোহফা নক্বীবাতুল উমাম -মুহম্মদ নূরুজ্জামান।

মাদানী তোহফা নক্বীবাতুল উমাম
সাইয়্যিদী বাগের রায়হানা,
রসূল ও মাওলার ফায়িজ সাকিনা
নিয়ে শ্রেষ্ঠা সুলতানা।

নূরে রওশন করেন ভুবন
খুশির আলোড়ন ধন্য জীবন
আধারী ভুবন করলেন আলোয়ান
সবে আপনাতে দিওয়ানা।
হবো দিওয়ানা। Continue reading

Posted in ক্বাছীদা শরীফ, নাক্বিবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম | মন্তব্য দিন

আমি ইলম উনার নগর এবং সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হলেন সেই নগরের দরজা

দামাদে রসূলিল্লাহ, আসাদুল্লাহিল গালিব, আব্দুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন খুলাফায়ে রাশিদীন উনাদের মধ্যে চতুর্থ খলীফা। তিনি হযরত আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে প্রথম ইমাম। তিনি সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত ছাহিব। উনার শান-মান, মর্যাদা মুবারক হচ্ছে বেমেছাল। কেননা যেখানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি এবং উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার ছানা-ছিফত, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক বর্ণনা করে থাকেন; সেখানে কোনো মাখলুকাতের পক্ষে কস্মিনকালেও উনার শান-মান, মর্যাদা মুবারক বর্ণনা করা সম্ভব নয়। Continue reading

Posted in কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম | মন্তব্য দিন

মহা সম্মানিত পবিত্র আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সুমহান বেমেছাল শান-মান মর্যাদা ফযীলত মুবারক জানা শুনা এবং সে অনুযায়ী আমল করা প্রত্যেক ঈমানদার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ফরযে আইন

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন-
قل لا اسئلكم عليه اجرا الا الـمودة فى القربى
অর্থ: “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে- আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।” (পবিত্র সূরা শুরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
انـما يريد الله ليذهب عنكم الرجس اهل البيت ويطهركم تطهيرا.
অর্থ: নিশ্চয়ই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চান হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে অর্থাৎ উনাদেরকে পবিত্র করার মতো Continue reading

Posted in উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম | মন্তব্য দিন

সম্মানিত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম উনাকে মুহব্বত করার বেমেছাল ফযীলত

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সম্মানিত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অন্যতম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। তাই উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত মুবারক বেমেছাল। উনার প্রতি মুহব্বত রাখা এবং প্রকাশ করা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের কারণ। যাঁরা উনার মুহব্বত মুবারক-এ ইন্তেকাল করবেন উনারা পরকালে চূড়ান্ত কামিয়াবী হাছিল করবেন। এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার Continue reading

Posted in উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম | মন্তব্য দিন

পবিত্র ৬ই রমাদ্বান শরীফ- সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহতিছ ছালিছাহ হযরত উম্মে কুলসূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান বিছাল শরীফ দিবস

اِنَّا اَرْسَلْنٰكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيرًا. لِّتُؤْمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُولِه وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ وَتُسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وّ َاَصِيلا.
অর্থ : (হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সাক্ষীদাতা, সুসংবাদদাতা এবং সতর্ককারীস্বরূপ পাঠিয়েছি; যেন (হে মানুষ!) তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার উপর এবং উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান আনো এবং তোমরা উনার খিদমত করো ও উনার তা’যীম-তাকরীম করো এবং উনার ছানা-ছিফত করো সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে সদা-সর্বদা। (পবিত্র সূরা ফাত্্হ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৮, ৯)
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাতিছ ছালিছাহ হযরত উম্মে কুলসূম আলাইহাস সালাম উনার পরিচিতি :
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাতিছ ছালিছাহ হযরত উম্মে কুলসূম আলাইহাস সালাম উনার নাম মুবারক ছিলো উম্মে কুলসূম। উনার সম্মানিত পিতা যিনি- তিনি হচ্ছেন স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনার সম্মানিতা মাতা হচ্ছেন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম। তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তৃতীয় বানাত। তিনি দুনিয়াবী বয়স মুবারক হিসেবে সাইয়্যিদাতু নিসায়ি Continue reading

Posted in উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম | মন্তব্য দিন

সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান শান মুবারক প্রসঙ্গে

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয হচ্ছে আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে, “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখেছি, তিনি পবিত্র (বিদায়) হজ্জে পবিত্র আরাফা শরীফ উনার দিন উনার ‘কাছওয়া’ নামক উষ্ট্রীর উপর সওয়ার অবস্থায় খুতবা দান করছেন। আমি শুনেছি, তিনি মুবারক খুতবায় বলেছেন, হে লোক সকল! আমি তোমাদের মাঝে এমন নিয়ামত রেখে যাচ্ছি, তোমরা যদি শক্তভাবে ধরে রাখো, তবে কখনো গুমরাহ হবে না। তাহলো মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাব ও আমার ইতরাত তথা হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা।” (পবিত্র তিরমিযী শরীফ, পবিত্র মিশকাত শরীফ)
মশহূর ও ছহীহ্ মতে, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ৪ জন সম্মানিত আবনা ও ৪ জন সম্মানিতা বানাত আলাইহিমুস সালাম উনারা দুনিয়াতে তাশরীফ নিয়েছিলেন। নিচে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উ Continue reading

Posted in উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম | মন্তব্য দিন

বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ ৬ই রমাদ্বান শরীফ-

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’
বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ ৬ই রমাদ্বান শরীফ-
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার আদরের বিনতু অর্থাৎ আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ আছ ছালিছা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিছাল শরীফ দিবস।
অতএব, প্রত্যেক মুসলমানসহ সব মুসলিম-অমুসলিম সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে,
হযরত হযরত আহলে বাইত শরীফ বা আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাওয়ানেহে উমরী মুবারক জানা, পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
এ দিনে সরকারিভাবে ছুটির ঘোষণা করা। এবং সরকারি ও বেসরকারিভাবে বেমেছাল তা’যীম-তাকরীম ও ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে যথাযথভাবে উনার পবিত্র বিছাল শরীফ দিবস পালনের ব্যবস্থা করা।
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, অত্যন্ত স্নেহময়ী বিনতু এবং উনার সর্বপ্রথম আহলিয়া উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদীজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিতা চার বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের একজন অর্থাৎ তৃতীয়া বিনতু সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম। মূলত তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদগণ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতমা। তাই সকল মুসলমানগণ তো অবশ্যই, অমুসলিমদের জন্যও ফরয হচ্ছে- উনাকে মুহব্বত করা, উনার জীবনী মুবারক জানা, উনাকে প্রতিক্ষেত্রে অনুসরণ-অনুকরণ করা এবং সর্বত্র উনার বেশি বেশি আলোচনা করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলে বাইত বা আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয হচ্ছে আমার Continue reading

Posted in উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম | মন্তব্য দিন