সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সুন্নতি সামগ্রীর অনুকরণে কিছু সুন্নতি সামগ্রীর ছবি (সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ)

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহযাব)

আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলেদিন, যদি তারা আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত লাভ করতে চায় তাহলে তারা যেনো আপনার অনুসরণ করে, তাহলে আমি আল্লাহ পাক স্বয়ং তাদেরকে মুহব্বত করবো, তাদেরকে ক্ষমা করবো, তাদের প্রতি দয়ালু হবো; নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সুরা আল ইমরান ৩১)

সুন্নতের ফযীলত সম্পর্কে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে মুহব্বত করলো, সে মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে আমাকে মুহব্বত করবে, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” (তিরমিযী শরীফ)

অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, আখিরী যামানায় যে ব্যক্তি একটি সুন্নত আঁকড়ে ধরে থাকবে তথা আমল করবে তাকে এর বিনিময়ে একশত শহীদ এর ছওয়াব প্রদান করা হবে।

সুন্নতি পাগড়ি মুবারক:

b1cd9d12d66537a02ca15f22b7e94a47_xlarge

পাগড়ীর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পাগড়ী পরিধান করা দায়েমী সুন্নত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মোবারক পরিধান করতেন। তিনি ঘরেও পাগড়ী মোবারক পরিধান করতেন। মক্কা শরীফ বিজয়ের সময়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাথা মোবারক-এ কাল পাগড়ী মোবারক ছিল। উনার পাগড়ী মুবারক-এর নিচে এবং পাগড়ী মুবারক ব্যতীত শুধু টুপিও ব্যবহার করেছেন। Read the rest of this entry

কাসিদায়ে শাহ নেয়ামাতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভবিষ্যৎবাণী ও প্রিয় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এবং গাজওয়াতুল হিন্দ

Gazwatul+Hindঅনলাইন ডেস্ক: কাসিদায়ে শাহ নেয়ামাতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভবিষ্যৎবাণী ও প্রিয় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এবং গাজওয়াতুল হিন্দঃ মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত কুদরতি ইলহাম উনার জ্ঞান দ্বারা আজ থেকে প্রায় সাড়ে আটশত বছর পুর্বে হিজরী ৫৪৮ সাল মোতাবেক ইসায়ী ১১৫২ সালে শাহ নেয়ামতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিখ্যাত কাব্যগুলো রচনা করেন।

মহান আল্লাহ পাক তিনি অনেক ওলী আউলিয়া পীর মাশায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ উনাদের উনার কুদরত থেকে অসাধারন কিছু জ্ঞান দিয়েছেন যেমন উপমহাদেশের বিখ্যাত অলি আল্লাহ শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ইলহামী ইলম দিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ সাওয়াতিউল ইলহাম রচনা করেন, অনুরুপ হযরত শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন একজন অনেক উচু মাপের ওলী আল্লাহ। তাই উনি সেই ইলমে লাদুনীর (মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত জ্ঞান) কিছু অংশ এই কবিতায় প্রকাশ করেছেন যা আপনি যদি এই কবিতাটি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে সহজেই বুঝতে পারবেন যদি ইসলামি জ্ঞানের মাত্রা একটু বেশি থাকে।
এই সম্মানিত পবিত্র কাসিদা শরিফ লিখার পর থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রতিটি ভবিষ্যদ্বানী হুবহু মিলেছে বিন্দুমাত্র ব্যবধান হয়নি।
ব্রিটিশ বড় লাট লর্ড কার্জনের শাসনামলে (১৮৯৯-১৯০৫) পবিত্র কাসিদা শরিফ খানা উনার প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
কবিতার ৩৭ নং প্যারা থেকো খেয়াল করুন। কারন এর পুর্বের লাইন গুলো অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়ায় শুধুমাত্র বর্তমান ও ভবিষতে কি ঘটতে পারে এটাই আমাদের দেখার বিষয়।
আমারা দুর্ভাগ্যবান বলতে পারেন! কারন পাকিস্তানি মুসলিম ভাইদের মাঝে পবিত্র কাসিদা শরিফ বেশ পরিচিত,
প্রসিদ্ধ এবং সমাদৃত অথচ বাংলাদেশে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো খোঁজই নেই।
কাসীদায়ে শাহ নেয়ামাতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে আরো জানতে এই লেখাটি পড়তে পারেন।
পবিত্র কাসিদা শরিফ টি পিডিএফ আকারে পড়ুন ও ডাউনলোড করুন এখান থেকে।
হযরত শাহ নেয়ামতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাসিদা শরিফ এর উর্দু পিডিএফ ডাউনলোড লিংকঃ
(https://goo.gl/dnRMps ) ১.৩ মেগাবাইট ৬০ পৃষ্টা
(https://goo.gl/HAogGF ) ৬.৮ মেগাবাইট ৬০ পৃষ্টা
কবিতা টি ইসলামিক ফাউন্ডেসনের প্রকাশিত “কাসিদায়ে সাওগাত” বইতে পাবেন। এই ছাড়াও মদিনা পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত ”মুসলিম পুনঃজাগরণ প্রসঙ্গ ইমাম মাহদি” বইতেও পাবেন। যারা উর্দু বুঝেন তারা এই নিয়ে ৮ পর্বের সিরিজ আলোচনা শুনতে পারেন, পাকিস্তানী বিশেষজ্ঞ জায়েদ হামিদ খুব সুন্দর করে ব্যাখ্যা সহ কারে উনার সকল ভবিষ্যৎ বাণী (ইলহাম) তুলে ধরেছেন।
বাংলা ভাষায় রুহুল আমীন খান অনূদিত শাহ নিয়ামতুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটি কবিতা ১৯৭০/৭১ এর দিকে এদেশে প্রকাশিত হয়েছিল।
কবিতাটিতে ৫৪ টি প্যারা রয়েছে। কোনো এক ভাই সেটি অনলাইনে সংকলন করেছিলেন, আমি নতুন করে পরিমার্জিত করে পুনঃসম্পাদন করে নিম্নে তা দিলাম টিকা ছাড়া।
(১)
পশ্চাতে রেখে এই ভারতবর্ষের অতীত কাহিনী যতো
আগামী দিনের সংবাদ কিছু বলে যাই অবিরত।
(২)
দ্বিতীয় দাওরে হুকুমত হবে তুর্কী মুঘলদের
কিন্তু শাসন হইবে তাদের অবিচার যুলুমের।
(৩)
ভোগ বিলাসে আমোদ-প্রমোদে মত্ত থাকিবে তারা
হারায়ে ফেলিবে স্বকীয় মহিমা তুর্কী স্বভাব ধারা।
(৪)
তাদের হারায়ে ভিন দেশী হবে শাসন দণ্ডধারী
জাকিয়া বসিবে, নিজ নামে তারা মুদ্রা করিবে জারি।
(৫)
এরপর হবে রাশিয়া-জাপানে ঘোরতর এক রণ
রুশকে হারিয়ে সেই রণেতে বিজয়ী হবে জাপানীগণ।
(৬)
শেষে দেশ-সীমা নিবে ঠিক করে মিলিয়া উভয় দল
চুক্তিও হবে, কিন্তু তাদের অন্তরে রবে ছল।
(৭)
ভারতে তখন দেখা দিবে প্লেগ আকালিক দুর্যোগ
মারা যাবে তাতে বহু মুসলিম হবে মহাদুর্ভোগ।
(৮)
এরপর পরই ভয়াবহ এক ভূকম্পনের ফলে
জাপানের এক তৃতীয়াংশ যাবে হায় রসাতলে।
(৯)
পশ্চিমে চার সালব্যাপী তখন হবে ঘোরতর মহারণ
প্রতারণা বলে হারাবে এ রণে জীমকে আলিফগণ।
(১০)
এ সমর হবে বহু দেশ জুড়ে অতীব ভয়ঙ্কর
নিহত হইবে এতে এক কোটি ত্রিশ লক্ষ নারী ও নর।
(১১)
অতঃপর হবে রণ বন্ধের চুক্তি উভয় দেশে
কিন্তু তা হবে ক্ষণভঙ্গুর টিকিবে না অবশেষে।
(১২)
নিরবে চলিবে মহাসমরের প্রস্তুতি বেশুমার
‘জীম’ ও আলিফে খ- লড়াই ঘটিতে থাকিবে বারংবার।
(১৩)
চীন ও জাপানে দু’দেশ যখন লিপ্ত থাকিবে রণে
নাসারা তখন রণ প্রস্তুতি চালাবে সঙ্গোপনে।
(১৪)
প্রথম মহা-সমরের শেষে একুশ বছর পর
শুরু হবে ফের আবারো তখন ভয়াবহ দ্বিতীয়-সমর।
(১৫)
ভারতবাসী এই সমরে যদিও সহায়তা দিয়ে যাবে
তার থেকে তারা প্রার্থিত কোন সুফল নাহিকো পাবে।
(১৬)
বিজ্ঞানীগণ এ সমরকালে হবে অতিশয় আধুনিক
করিবে তৈয়ার অতি ভয়াবহ হাতিয়ার আনবিক।
(১৭)
গায়েবী ধনির যন্ত্র বানাবে নিকটে আসিবে দূর
প্রাচ্যে বসেও শুনিতে পাইবে প্রতীচীর গান-সুর।
(১৮)
মিলিত হইয়া ‘প্রথম আলিফ’
‘দ্বিতীয় আলিফ’ দ্বয়
গড়িয়া তুলিবে রুশ-চীন সাথে আতাত সুনিশ্চয়।
(১৯)
ঝাপিয়ে পড়িবে ‘তৃতীয় আলিফ’ এবং দু’জীম ঘাড়ে
ছুড়িয়া মারিবে গজবী পাহাড় আনবিক হাতিয়ারে।
(২০)
জগৎ জুড়িয়া ছয় সালব্যাপী এই রণে ভয়াবহ
হালাক হইবে অগিণত লোক ধন সম্পদ সহ।
(২১)
মহাধ্বংসের এ মহাসমর অবসানে অবশেষে
নাসারা শাসক ভারত ছাড়িয়া চলে যাবে নিজ দেশে
কিন্তু তাহারা থাকিবার লাগি চিরকাল ভারতবাসীর মনে
মহাক্ষতিকর বিষাক্ত বীজ বুনে যাবে সেই সনে।
(২২)
ভারত ভাঙ্গিয়া হইবে দু’ভাগ শঠতায় নেতাদের
মহাদুর্ভোগ দুর্দশা হবে দু’দেশেরি মানুষের।
(২৩)
মুকুটবিহীন নাদান বাদশা পাইবে শাসনভার
কানুন ও তার ফর্মান হবে আজেবাজে একছার।
(২৪)
দুর্নীতি ঘুষ কাজে অবহেলা নীতিহীনতার ফলে
শাহী ফর্মান হবে পয়মাল দেশ যাবে রসাতলে।
(২৫)
হায় আফসোস করিবেন যত আলেম ও জ্ঞানীগণ
মূর্খ বেকুফ নাদান লোকেরা করিবে আস্ফালন।
(২৬)
পেয়ারা নবীর (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মতগণ ভুলিবে আপন শান
ঘোরতর পাপ পঙ্গিলতায় ডুবিয়া থাকিবে গাফেল মুসলমান।
(২৭)
কালের চক্রে স্নেহ-তমীজের ঘটিবে যে অবসান
লুণ্ঠিত হবে মানী লোকদের ইজ্জত ও সম্মান।
(২৮)
উঠিয়া যাইবে বাছ ও বিচার হালাল ও হারামের
লজ্জা রবে না, লুণ্ঠিত হবে ইজ্জত নারীদের।
(২৯)
পশুর অধম হইবে তাহারা ভাই-বোনে, মা-বেটায়
জেনা ব্যাভিচারে হইবে লিপ্ত পিতা আর কন্যায়।
(৩০)
নগ্নতা আল অশ্লীলতায় ভরে যাবে সব গৃহ
নারীরা উপরে সেজে রবে সতী ভেতরে বেচিবে দেহ।
(৩১)
উপরে সাধুর লেবাস ভেতরে পাপের বেসাতি পুরা
নারী দেহ নিয়ে চালাবে ব্যবসা ইবলিসের বন্ধুরা।
(৩২)
নামায ও রোজা, হজ্জ্ব যাকাতের কমে যাবে আগ্রহ
ধর্মের কাজ মনে হবে বোঝা দারুন ও দুর্বিষহ।
(৩৩)
কলিজার খুন পান করে বলি শোন হে বৎসগণ
খোদার ওয়াস্তে ভুলে যাও সব নাসারার আচরণ।
(৩৪)
পশ্চিমা ঐ অশ্লীলতা আর নগ্নতা বেহায়াপনামি
ডোবাবে তোমাদের,
খোদার কঠোর গজব আসিবে নামি।
(৩৫)
ধ্বংস নিহত হবে মুসলিম বিধর্মীদের হাতে
হবে নাজেহাল, ছেড়ে যাবে দেশ ভাসিবে রক্তপাতে।
(৩৬)
মুসলমানের জান-মাল হবে খেলনা-মুল্যহত
রক্ত তাদের প্রবাহিত হবে সাগর স্রাতের মত।
(৩৭)
এরপর যাবে ভেগে নারকীরা পাঞ্জাব কেন্দ্রের
ধন সম্পদ আসিবে হাতে দখলে মুমিনদের।
(৩৮)
অনুরূপ হবে পতন একটি শহর মুমিনদের
তাহাদের ধনসম্পদ যাবে দখলে হিন্দুদের।
(৩৯)
হত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ সেখানে চালাইবে তারা ভারি
ঘরে ঘরে হবে ঘোর কারবালা ক্রন্দন আহাজারি।
(৪০)
মুসলিম নেতা-অথচ বন্ধু কাফেরের তলে তলে
মদদ করিবে অরি কে সে এক পাপ চুক্তির ছলে।
(৪১)
প্রথম অক্ষরেখায় থাকিবে শীনে’র অবস্থান
শেষের অক্ষরে থাকিবে নূন’ ও বিরাজমান
ঘটিবে তখন এসব ঘটনা মাঝখানে দু’ঈদের
ধিক্কার দিবে বিশ্বের লোক জালিম হিন্দুদের।
(৪২)
মহরম মাসে হাতিয়ার হাতে পাইবে মুমিনগণ
ঝঞ্বারবেগে করিবে তাহারা পাল্টা আক্রমণ।
(৪৩)
সৃষ্টি হইবে ভারত ব্যাপিয়া প্রচণ্ড আলোড়ন
‘উসমান’ এসে নিবে জেহাদের বজ্র কঠিন পণ।
(৪৪)
‘সাহেবে কিরান-‘হাবীবুল্লাহ’ হাতে নিয়ে শমসের
খোদায়ী মদদে ঝাপিয়ে পড়িবে ময়দানে যুদ্ধের।
(৪৫)
কাপিবে মেদিনী সীমান্ত বীর গাজীদের পদভারে
ভারতের পানে আগাইবে তারা মহারণ হুঙ্কারে।
(৪৬)
পঙ্গপালের মত ধেয়ে এসে এসব ‘গাজীয়ে দ্বীন’
যুদ্ধে জিতিয়া বিজয় ঝাণ্ডা করিবেন উড্ডিন।
(৪৭)
মিলে এক সাথে দক্ষিণী ফৌজ ইরানী ও আফগান
বিজয় করিয়া কবজায় পুরা আনিবে হিন্দুস্তান।
(৪৮)
বরবাদ করে দেয়া হবে দ্বীন ইসলামের ছিলো যারা দুশমন
অঝোর ধারায় হইবে তখন মহান আল্লা’র রহমত বর্ষণ।
(৪৯)
দ্বীনের বৈরী ছিলো শুরুতে ছয় হরফেতে নাম
প্রথম হরফ গাফ সে কবুল করিবে দ্বীন ইসলাম।
(৫০)
মহান আল্লা’র খাস রহমতে হবে মুমিনেরা খোশদিল
হিন্দু রসুম-রেওয়াজ এ ভূমে থাকিবে না এক তিল।
(৫১)
ভারতের মত পশ্চিমাদেরও ঘটিবে বিপর্যয়
তৃতীয় বিশ্ব সমর সেখানে ঘটাইবে মহালয়।
(৫২)
এ রণে হবে ‘আলিফ’ এরূপ পয়মাল মিসমার
মুছে যাবে দেশ, ইতিহাসে শুধু নামটি থাকিবে তার।
(৫৩)
যত অপরাধ তিল তিল করে জমেছে খাতায় তার
শাস্তি উহার ভুগতেই হবে নাহি পাপে নিস্তার
কুদরতী হাতে কঠিন দণ্ড দেয়া হবে তাহাদের
ধরা বুকে শির তুলিয়া নাসারা দাড়াবে না কভু ফের।
(৫৪)
যেই বেঈমান দুনিয়া ধ্বংস করিল আপন কামে
নিপাতিত শেষকালে সে যাবে নিজেই জাহান্নামে।
(৫৫)
রহস্যভেদী যে রতন হার গাথিলাম আমি গায়েবী মদদ লভিতে,
আসিবে উস্তাদসম কাজে তাহা ভবিষ্যতে।
(৫৬)
অতিসত্বর যদি, মহান আল্লা’র মদদ পাইতে চাও
উনারই হুকুম তালিমের কাজে নিজেকে বিলিয়ে দাও।
(৫৭)
‘কানা জাহুকার’ প্রকাশ ঘটার সালেই প্রতিশ্রুত
ইমাম মাহাদি (আলাইহিস সালাম) দুনিয়ার বুকে হবেন আবির্ভূত।
(৫৮)
চুপ হয়ে যাও ওহে নেয়ামত এগিও না মোটে আর
ফাঁস করিও না খোদার গায়বী রহস্যের ভাণ্ডার
এ কাসিদা বলা করিলাম শেষ ‘কুনুত কানয’ সালে
অদ্ভুত এই রহস্যের কাসিদা ফলিবে কালে কালে।
টীকাঃ ‘কুনুত কানয সাল’
অর্থাৎ হিজরি সন ৫৪৮ মোতাবেক ১১৫৮ ইংরেজি সাল হচ্ছে এ কাসিদার রচনা কাল। এটা আরবি হরফের নাম অনুযায়ী সাংকেতিক হিসাব।

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত মুবারক পরিচিতি

images

النبى اولى بالـمؤمنين من انفسهم وازواجه امهاتهم

অর্থ : মু’মিনগণ উনাদের নিকট উনাদের জীবনের চেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অতি প্রিয়। আর উনার আযওয়াজুম মুত্বহহারাহ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন মু’মিনগণ উনাদের মাতা তথা উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ০৬)

অর্থাৎ, মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আযওয়াজুম মুত্বহহারাহ আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের কায়িনাতবাসীর মাতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। যা দ্বারা উনাদের সীমাহীন মর্যাদা ও বুযুর্গী-সম্মানের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হয়েছে। সঙ্গত কারণেই উনাদের সম্পর্কে জানা, উনাদের সাওয়ানেহ উমরী মুবারক সম্পর্কে অবহিত হওয়া সকলের জন্যই অত্যাবশকীয়। Read the rest of this entry

গান-বাজনা ও খেলাধুলার মাধ্যমে উপার্জিত অর্থসম্পদ হারাম

gan bajnaহারাম খেলাধুলা, গান-বাজনা ও নাটক-সিনেমায় মিথ্যা অভিনয় করার মাধ্যমে উপার্জিত সমস্ত অর্থসম্পদ হারাম।
আর হারাম অর্থসম্পদ গ্রহণকারী ব্যক্তির কোনো ইবাদত-বন্দেগী কবুল তো হবেই না; উপরন্তু সে পরকালে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। নাউযুবিল্লাহ!
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ‘আম্বিয়া’ শরীফ ১৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা আমি খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি।” Read the rest of this entry

একটি মনগড়া দল গঠনই ল্যাংড়া ইলিয়াস সাহেবের উদ্দেশ্য ছিল

ইলিয়াস সাহেব ও তার প্রবর্তিত ৬ উছুলী গাট্টি তাবালীগ জামায়াUntitled-12তের লোকেরা তাসাউফ শিক্ষার প্রতি আগ্রহী না থাকলেও ল্যাংড়া ইলিয়াসের মলফুযাতে ইলিয়াস সাহেব যে ইলম ও যিকিরের কথা ব্যক্ত করেছে, তাতে প্রকারন্তরে ইলমে তাসাউফের ক্বালবী যিকিরের কথাই প্রকাশ পায়। যেমন- ইলিয়াস সাহেব তার মলফুযাতের বিভিন্ন মলফুযাত যথা (৬, ৩৫, ৬৯, ২৮১) ইত্যাদিতে বিশেষভাবে ইলম ও যিকিরের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, Read the rest of this entry

যেসব মালানা-মৌলভী টেলিভিশন দেখে ও এতে অনুষ্ঠান করে থাকে তাদের পিছনে নামায পড়া জায়িয নেই

Olamaye Chu 1টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করা ও টেলিভিশন দেখা উভয়টাই সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িযের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই যে সমস্ত মালানা মৌলভী টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করে ও টেলিভিশন দেখে তারা দু’ শ্রেণীতে বিভক্ত। Read the rest of this entry

দারুল উলুম দেবন্দীদের কতিপয় কুফরী আক্বিদা

 

Untitled-1(১) আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা মিথ্যা বলতে পারেন। (নাঊযুবিল্লাহ) (দলীল : রশিদ আহমদ গাংগুহী, ফতওয়া রশিদিয়া , ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা ১৯। রশিদ আহমদ গাংগুহী, তালিফাত রশিদিয়া, কিতাবুল আক্বাইদ অধ্যায়, পৃষ্ঠা ৯৮। খলীল আহমদ আম্বেটী, তাজকিরাতুল খলীল, পৃষ্ঠা ১৩৫। মেহমুদ হাসান, আল-জিহাদুল মুগিল, পৃষ্ঠা ৪১।)

(২) আল্লাহ্‌ সুবাহানাহু ওয়া তায়ালা উনার বান্দা ভবিষ্যতে কি করবে না করবে তা আগে থেকে তিনি বলতে পারেন না। বান্দা কর্ম সম্পাদনের পর আল্লাহ্‌ তা জানতে পারেন। (নাঊযুবিল্লাহ) (দলীল : হুসাইন আলী, তাফসীরে বুঘাতুল হাইরান, পৃষ্ঠা ১৫৭-১৫৮।) Read the rest of this entry

66503478_2350481405044876_2937003356897411072_nদেশের যেসব স্কুল-কলেজ বোরকা ও হিজাব নিয়ে ঝামেলা করে তাদেরকে হাইকোর্টের এই রুলটি জানিয়ে দিন–
_____________________
বোরকা-হিজাব পরা শিক্ষার্থীদের হয়রানি না করতে হাইকোর্টের রুল Read the rest of this entry

ছবি বাদ দিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবস্থা চালু ঈমানী দাবি

76602167_824654637977479_4479830754368421888_oসাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে ঐ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তি দেবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে।” (পবিত্র বুখারী শরীফ ২য় জি:, পৃ: ৮৮০) Read the rest of this entry

নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়

Sunnati Masjid__2মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত ইখতিয়ার কর।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯)
কারণ ছোহ্বত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়-
الصحبة متوثرة
অর্থ: “সঙ্গ ক্রিয়া করে।”
আর তাই কোনো কবি বলেন-
صحبت صالح ترا صالح کند
صحبت طالح ترا طالح کند
অর্থ: “সৎসঙ্গ তোমাকে আল্লাহওয়ালা করে দিবে, আর অসৎ সঙ্গ করে দিবে তোমাকে অসৎ।” Read the rest of this entry

মুজাদ্দিদগন উনাদের তালিকাঃ

Mujaddin Unader Talika1মুজাদ্দিদগন উনাদের তালিকাঃ

■ ২শতক হিজরি
(৮০-১৫০) হযরত ইমাম আবু হানিফা رحمه الله

■ ৩শতক হিজরি
(১৬৪-২৪১) হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বাল رحمه الله

■ ৪শতক হিজরি
(২৭০-৩৩৩) হযরত ইমাম মুহম্মদ মাতুরিদি رحمه الله

Read the rest of this entry

%d bloggers like this: