সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সুন্নতি সামগ্রীর অনুকরণে কিছু সুন্নতি সামগ্রীর ছবি (সংক্ষিপ্ত বর্ণনাসহ)

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আমার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সূরা আহযাব)

আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলেদিন, যদি তারা আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত লাভ করতে চায় তাহলে তারা যেনো আপনার অনুসরণ করে, তাহলে আমি আল্লাহ পাক স্বয়ং তাদেরকে মুহব্বত করবো, তাদেরকে ক্ষমা করবো, তাদের প্রতি দয়ালু হবো; নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সুরা আল ইমরান ৩১)

সুন্নতের ফযীলত সম্পর্কে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে মুহব্বত করলো, সে মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে আমাকে মুহব্বত করবে, সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” (তিরমিযী শরীফ)

অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, আখিরী যামানায় যে ব্যক্তি একটি সুন্নত আঁকড়ে ধরে থাকবে তথা আমল করবে তাকে এর বিনিময়ে একশত শহীদ এর ছওয়াব প্রদান করা হবে।

সুন্নতি পাগড়ি মুবারক:

b1cd9d12d66537a02ca15f22b7e94a47_xlarge

পাগড়ীর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: পাগড়ী পরিধান করা দায়েমী সুন্নত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মোবারক পরিধান করতেন। তিনি ঘরেও পাগড়ী মোবারক পরিধান করতেন। মক্কা শরীফ বিজয়ের সময়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাথা মোবারক-এ কাল পাগড়ী মোবারক ছিল। উনার পাগড়ী মুবারক-এর নিচে এবং পাগড়ী মুবারক ব্যতীত শুধু টুপিও ব্যবহার করেছেন। Read the rest of this entry

আগামী ইয়াওমুল খ্বমীস বা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত অর্থাৎ পবিত্র জুমুয়া উনার রাতটিই হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে পবিত্র কাওছার বা খইরে কাছীর হাদিয়া করেছি।’

আগামী ইয়াওমুল খ্বমীস বা বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত অর্থাৎ পবিত্র জুমুয়া উনার রাতটিই হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ।

যা কুল-কায়িনাত সকলের জন্যই সুমহান ঈদ বা খুশির রাত।

এ মুবারক রাত্রটি পবিত্র শবে বরাত, পবিত্র শবে ক্বদরসহ ও অন্যান্য সমস্ত ফযীলতযুক্ত রাত্র থেকেও অনেক বেশি মর্যাদাসম্পন্ন। এ রাত এতো বরকতময় যে, ‘এ রাতে সমস্ত দোয়া নিশ্চিত কবুল হয়’।

তাই প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা উনাদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে, এ মুবারক ফযীলতপূর্ণ রাতে সমস্ত রাতব্যাপী সজাগ থেকে পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ, দোয়া-দুরূদ, তওবা-ইস্তিগফার, নামায-কালাম পাঠে মশগুল থাকা। আর দিনে অর্থাৎ ইয়াওমুল জুমুয়াতে রোযা রাখা। Read the rest of this entry

৫৫০ হিজরী সনে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত জিসিম মুবারক স্থানান্তরের মতো জঘন্য পরিকল্পনা করে ইহুদী চরেরা প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড পেয়ে আগুনে ভস্মীভূত হয়েছিল।

৫৫০ হিজরী সনের কোনো এক রাত্রে বিশিষ্ট বুযুর্গ, ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ নুরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র ইশা নামাযের পর মধ্যরাত পর্যন্ত পবিত্র কালামে পাক তিলাওয়াত করতঃ তাহাজ্জুদের নামায পড়ে দোয়া ও মুনাজাতের পর ঘুমিয়ে পড়েন। ঘুমের মধ্যে জিয়ারত হয় আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে। স্বপ্নে তিনি নুরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে লক্ষ্য করে বলছেন, “হে নুরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি, দীর্ঘদিন যাবৎ দু’জন লোক আমাকে কষ্ট দিচ্ছে, আর আমার সঙ্গে চরম বেয়াদবীতে লিপ্ত আছে। এ দু’বেয়াদবকে ধরে যথা সম্ভব দ্রুত এদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করুন।” দু’জনের চেহারাও উনাকে দেখানো হয়। বুযুর্গ বাদশাহ নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এ স্বপ্ন দেখে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে গভীর চিন্তা মগ্ন হয়ে পড়েন। Read the rest of this entry

ঐতিহাসিক সুমহান বরকতময় পবিত্র ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয় যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের কোনো ভয় নেই এবং কোনো চিন্তা-পেরেশানীও নেই।’

ঐতিহাসিক সুমহান বরকতময় পবিত্র ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ।

Shrine_of_Abdul_Qadir_Jilani.

মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার দিন।

যা ‘পবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ’ নামে সারাবিশ্বে মশহুর।

তাই প্রত্যেক মুসলমান এবং বাংলাদেশ সরকারসহ পৃথিবীর সমস্ত দেশের সরকারের উচিত-

যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে এ মুবারক দিনটি পালন করা এবং পালন করার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পাশাপাশি মাদরাসা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে উনার জীবনী মুবারক অন্তর্ভুক্ত করা। Read the rest of this entry

সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত ওলীআল্লাহ

সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক উনার মধ্যে একটি ঘটনা বর্ণিত রয়েছে যে, একবার এক ব্যক্তি একটি আমল করার নিয়ত করেছে এভাবে যে, তার সাথে ওই সময় আর কেউই যেন আমলটা করতে না পারে। যদি সে আমলটা করতে না পারে তবে সে বলেছে, তার স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে।
তার এ মাসয়ালার সমাধানের জন্য দীর্ঘদিন ব্যাপী অনেক আলিম-উলামার কাছে যাওয়া হলো। উনারা সকলেই একই জবাব দিলেন যে, উক্ত ব্যক্তির স্ত্রী তালাক হয়ে গেছে। কারণ, এমন কোনো আমল নেই, যে আমল সে শুধু একাই করবে আর কেউই করবে না। সে নামায পড়–ক, রোযা করুক, দান-ছদকা করুক, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করুক ইত্যাদি যে আমলই করুক না কেন, Read the rest of this entry

গউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামে রব্বানী, মাহবুবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী হযরত বড়পীর ছাহিব শায়েখ সাইয়্যিদ মুহিউদ্দীন আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহে উমরী মুবারক

পবিত্র বিলাদত শরীফ :
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম, আওলাদে রসূল হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনে তৎকালীন ইরানের পবিত্র জিলান নগরে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার পিতা উনার নাম মুবারক আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদ আবূ ছালেহ মূসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি (যেহেতু তিনি যুদ্ধপ্রিয় ছিলেন সেহেতু উনাকে জঙ্গীদোস্ত বলা হয়)। উনার মাতা উনার নাম মুবারক হযরত সাইয়্যিদাহ উম্মুল খায়ের আমাতুল জাব্বার ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা। তিনি সম্মানিত পিতা উনার দিক থেকে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম এবং সম্মানিতা মাতা উনার দিক থেকে সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনাদের বংশধর। সুবহানাল্লহ! Read the rest of this entry

মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, মুহিউদ্দিন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহূর ক্বাদিরিয়া তরীক্বা উনার শাজরা শরীফ ॥

মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, মুহিউদ্দিন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহূর ক্বাদিরিয়া তরীক্বা উনার শাজরা শরীফ ॥
যা বিশ্বব্যাপী হাক্বীকী শানে জারী রয়েছে সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার আযীমুশ শান নূরানী সিলসিলা মুবারক উনার মাধ্যমে

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম রহমত বরকত সাকীনা মুবারক উনার বদৌলতে এবং সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ইহসান উনার উছীলায় আজো বিশ্বব্যাপী জারী রয়েছে মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গউছুল আ’যম, দস্তগীর, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মক্ববূল মাশহূর পবিত্র ক্বাদিরিয়া তরীক্বা। সুবহানাল্লাহ! ইনশাআল্লাহ ক্বিয়ামত পর্যন্ত তা ছহীহ তরতীবে জারি থাকবে সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। Read the rest of this entry

ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ঘোষিত মহান মুজাদ্দিদগণ উনাদের আগমনের ধারাবাহিকতায় হিজরী ষষ্ঠ শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদরূপে মিল্লাতে মুসলিমে প্রেরিত হন- সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবুবে সুবহানী, গউছুল আ’যম হযরত শায়েখ মুহিউদ্দিন আব্দুল ক্বাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম তথা আওলাদে রসূলগণ উনাদের মধ্যে তিনি সেই যুগের সর্বোচ্চ মর্যাদা-মর্তবাপ্রাপ্ত ওলীআল্লাহ ছিলেন। তিনি ছিলেন পিতা উনার দিক হতে আল হাসানী এবং মাতা উনার দিক হতে আল হুসাইনী।
উনার সম্মানিত পিতা উনার নাম মুবারক আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ ছলেহ মূসা জঙ্গীদোস্ত রহমতুল্লাহি আলাইহি। এবং মহীয়সী মাতা উনার নাম মুবারক সাইয়্যিদাতুন নিসা, আমাতুল জাব্বার, উম্মুল খায়ের হযরত ফাতিমা রহমতুল্লাহি আলাইহা। আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ হিজরী ৪৭১ সনের পহেলা রমাদ্বান শরীফ। দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ এনেই তিনি রোযা রাখা আরম্ভ করেন। সুবহানাল্লাহ! Read the rest of this entry

অনন্য খুছুছিয়ত মুবারকে গাউসুল আ’যম হযরত বড় পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি

আহলে তাছাউফগণ উনারা হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে দু’শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন। মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের কর্তৃক পূর্ব মনোনীত মহান ব্যক্তিত্বগণ প্রথম শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। সরাসরি ওলীয়ে মাদারযাদ হিসেবেই উনাদের পবিত্র বিলাদত শরীফ। উনারা মাহবুব বা মুরাদ লক্বব মুবারকে ভূষিত। অপর শ্রেণী নিজস্ব রিয়াজত-মাশাক্কাত, কোশেশের মাধ্যমে তাছাউফের পথ পাড়ি দিয়ে কামালত হাছিল করেন। উনারা মুহীব বা মুরীদ লক্বব মুবারকে ভূষিত হন।
একথা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরাদ বা মাহবুব শ্রেণীর আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। উনার সম্পর্কে বিভিন্ন সুসংবাদ যার সুস্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।
পূর্ব মনোনীত বিশেষ আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের প্রত্যেকের রয়েছে কতিপয় আখাচ্ছুল খাছ খুছুছিয়ত মুবারক। আর তারই ধারাবাহিকতায় মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে এমন কতিপয় খুছছিয়ত মুবারক হাদিয়া করেছেন, যা পূর্ববর্তী অন্য কারো সাওয়ানেহে উমরী মুবারকে দেখা যায় না। Read the rest of this entry

সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদুয যামান, ইমামুর রাসিখীন, সুলত্বানুল আরিফীন, মুহিউদ্দীন, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার যুগের গাউছ উনার প্রতি আদব প্রদর্শন

শায়খুল উলামা ওয়াল মাশায়িখ, সুলতানুল আরিফীন, মুবাহিসে আ’যম, হযরতুল আল্লামা মাওলানা রুহুল আমীন বশিরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার কিতাবে উল্লেখ করেছেনÑ
হযরত আবূ সাঈদ আব্দুল্লাহ তামিমী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৫৮০ হিজরীতে দামেস্কে বর্ণনা করেছিলেন, “আমি যুবক অবস্থায় ইলিম অর্জনের জন্য বাগদাদ শরীফ-এ উপস্থিত হয়েছিলাম। সে সময় নিজামিয়া মাদরাসাতে ইবনুছ সাক্কাহ নামে আমার একজন সহপাঠী ছিলেন। আমরা উভয়ে ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকির করতাম। পাশাপাশি তথাকার বুযুর্গগণ উনাদের ছোহবত ইখতিয়ার করতাম। বাগদাদ শরীফ-এ সে সময় একজন গাউছ ছিলেন। তিনি অনেক সময়ে মানুষের চোখের আড়াল হয়ে যেতেন। একবার আমি, ইবনুছ ছাক্কা ও হযরত শায়েখ আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনজন উক্ত গাউছ উনার সাক্ষাৎ লাভের ইচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হলাম। আমরা রাস্তা দিয়ে গমনকালে ইবনুছ ছাক্কাহ বললো, আমি উক্ত গাউছ উনাকে এমন প্রশ্ন করবো যার উত্তর দিতে তিনি সক্ষম হবেন না। আমি বললাম, আমিও একটি প্রশ্ন করবো, দেখি তিনি কি উত্তর দেন। সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, নাঊযুবিল্লাহ, আমি যার দীদারে, বরকত লাভের আশা পোষণ করি, উনার সামনে উপস্থিত হয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারবো না। আমরা উনার নিকটে উপস্থিত হয়ে উনার স্থানে উনাকে দেখতে পেলাম না। একটু পর উনাকে সেখানে বসা দেখতে পেলাম। তারপর তিনি ইবনুছ ছাক্কার দিকে অসন্তুষ্ট অবস্থায় তাকালেন এবং বললেন, হে ইবনুছ ছাক্কাহ, তোমার জন্য আফসুস, তুমি Read the rest of this entry

সাইয়্যিদুল আউলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, কুতুবে রব্বানী, গাউছুল আ’যম, মুজাদ্দিদুয যামান, ইমামুর রাসিখীন, সুলত্বানুল আরিফীন, মুহিউদ্দীন, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক

وصال (বিছাল) অর্থ মিলিত হওয়া, সাক্ষাৎ করা। হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনারা মারা যান না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-

ان اولياء الله لا يموتون بل ينتقلون من دار الفناء الى دار البقاء

অর্থ: “নিশ্চয়ই আউলিয়ায়ে কিরাম উনারা মৃত্যুবরণ করেননা। বরং উনারা অস্থায়ী আবাস থেকে স্থায়ী আবাসের দিকে ফিরে যান। মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে দায়িমী ও হাক্বীক্বী সাক্ষাৎ মুবারকে মিলিত হন। এজন্য উনাদের ইন্তিকালকে পবিত্র বিছালী শান মুবারক বলা হয়। আর হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের তা’যীম বা সম্মানার্থে শরীফ কিংবা মুবারক শব্দটি সংযুক্ত করা হয়। যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন ইরশাদ মুবারক করেন, “মুসলমানরা যতক্ষণ পর্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি বা বিষয়ের যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করবে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা বিজয় বেশে কামিয়াবী লাভ করবে। আর যখন সম্মান ইজ্জত প্রদর্শন করা থেকে বিরত থাকবে তখন হালাক বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- Read the rest of this entry

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.